চিত্রকলা

বিমূর্ততার পরে রং

যে চিত্রকর্ম চোখ ফিরিয়ে নেয়নি, তার রেখা, শ্রম ও সাক্ষ্যের নিবিড় পাঠ।

Claude Monet, Impression, Sunrise, 1872
Claude Monet, Impression, Sunrise, 1872 ছবি: Wikimedia Commons (public domain)

কিছু শিল্পকর্ম প্রশংসা চায়, আর কিছু চায় উত্তর। ১৯৪৩ সালে আঁকা এই রেখাচিত্রগুলো দ্বিতীয় ধরনের: রুক্ষ, জরুরি, হাতের কাছে যা ছিল তা দিয়েই আঁকা — এগুলো ছবি আর বিষয়ের মাঝের সেই চেনা দূরত্ব মানতে রাজি নয়।

আজ দেখলে এদের বিদ্রোহ নীরব মনে হয়। কোনো ইশতেহার নেই, স্লোগান নেই, আছে শুধু একটি রেখা যা বারবার শরীরে ফিরে আসে — বাঁকা মেরুদণ্ড, শূন্য বাটি, ফ্রেমের কিনারে দাঁড়ানো শিশু। সংযমই এখানে যুক্তি।

সাক্ষ্য হিসেবে রেখা

সমালোচকেরা প্রায়ই এগুলোকে দলিল বলেছেন, যেন এদের মূল্য শুধু যা লিপিবদ্ধ করে তাতেই। কিন্তু দলিল বেছে নেয় না। এখানে প্রতিটি বাদ দেওয়া একটি সিদ্ধান্ত, আর প্রতিটি সিদ্ধান্ত জানায় শিল্পী কীভাবে ভেবেছেন দুর্ভোগ কীভাবে দেখানো উচিত, আর কীভাবে নয়।

“সংযমই যুক্তি: চোখকে যা এমনিতেই বহন করতে হতো, তার বাইরে কিছুই যোগ করা হয়নি।”

আজ এগুলোতে ফিরে যাওয়া কোনো স্মৃতিকাতরতা নয়। এটি মনে করিয়ে দেয় যে সমালোচনাও, আঁকার মতোই, শুরু হয় ততক্ষণ দেখার শৃঙ্খলা দিয়ে যতক্ষণ না যা দেখছি তা আমাদের বদলে দেয়।